কেয়ারটেকার নিচতলার ভাড়া নিয়ে খাতায় লিখলেন, কিন্তু মালিক জানলেন দুদিন পর — এর মধ্যে হয়তো ভাড়াটিয়াকে আবার তাগাদাও দেওয়া হয়ে গেছে। আলাদা আলাদা জায়গায় হিসাব থাকলে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি হয়। বাড়িওয়ালা ERP-এর রিয়েল-টাইম ডেটা সিঙ্ক সবাইকে একই মুহূর্তে একই তথ্য দেখায়।

কীভাবে কাজ করে

সব ব্যবহারকারী একই ক্লাউড ডেটাবেসের সাথে যুক্ত থাকেন। ওয়েব বা মোবাইল অ্যাপ — যেখান থেকেই কেউ পেমেন্ট, বিল বা খরচ এন্ট্রি দিন না কেন, সেটি কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত হয় এবং অন্যরা পরবর্তীবার দেখলেই হালনাগাদ তথ্য পান।

  • পেমেন্ট এন্ট্রির সাথে সাথে বকেয়ার হিসাব আপডেট
  • ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপে একই তথ্য
  • মালিক, ম্যানেজার ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সমন্বয়
  • আলাদা করে ফাইল পাঠানো বা মেলানোর দরকার নেই

মূল সুবিধা

রিয়েল-টাইম ডেটা সিঙ্কের কারণে একই পেমেন্ট দুবার নেওয়া বা ভুল করে তাগাদা দেওয়ার ঘটনা কমে যায়। ভাড়াটিয়াও টাকা দেওয়ার পর নিজের অ্যাপে তা দেখতে পান, ফলে রসিদ নিয়ে তর্ক হয় না। মাস শেষে হিসাব মেলানোর সময়ও বাঁচে।

কাদের জন্য

যেখানে একাধিক মানুষ হিসাব সামলান — যেমন মালিক, ম্যানেজার ও কেয়ারটেকার — কিংবা যেখানে মার্কেটে কালেকশন এজেন্ট দোকানে দোকানে ভাড়া তোলেন, সেখানে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

সবাইকে একই পাতায় রাখতে বাড়িওয়ালা ERP-এর ফ্রি ডেমো ব্যবহার করে রিয়েল-টাইম সিঙ্কের সুবিধা দেখে নিন।