ভালো ভাড়ার রসিদ কেমন হয়
প্রতিটি রসিদের আলাদা নম্বর রাখুন, যাতে পরে খুঁজে পাওয়া যায়। ভাড়া, সার্ভিস চার্জ আর বিলগুলো আলাদা লাইনে লিখুন — ভাড়াটিয়া পরিষ্কার বোঝেন কোন খাতে কত দিলেন। মোট টাকা অঙ্কে ও কথায় দুইভাবেই লিখলে পরে কাটাকাটি বা ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ থাকে না।
রসিদের কপি রাখুন
ভাড়াটিয়াকে এক কপি দিন, নিজের কাছে এক কপি রাখুন। PDF হিসেবে সেভ করে মাস অনুযায়ী ফোল্ডারে রাখলে বছরের শেষে আয়ের হিসাব বা আয়কর রিটার্নে কাজে লাগে।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
ভাড়ার রসিদ দেওয়া কেন জরুরি?
রসিদ ভাড়াটিয়ার জন্য পরিশোধের প্রমাণ আর বাড়িওয়ালার জন্য আয়ের হিসাব। পরে কোনো মতবিরোধ হলে লিখিত রসিদ দুই পক্ষকেই রক্ষা করে।
রসিদে কী কী থাকা উচিত?
রসিদ নম্বর, তারিখ, বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার নাম, ফ্ল্যাট/দোকান নম্বর, কোন মাসের ভাড়া, প্রতিটি খাতের টাকা, মোট টাকা (অঙ্কে ও কথায়), পরিশোধের মাধ্যম আর স্বাক্ষর।
রসিদ কীভাবে PDF হিসেবে সেভ করব?
“প্রিন্ট / PDF” বাটন চাপুন, প্রিন্টারের জায়গায় “Save as PDF” বেছে নিন। মোবাইলেও একইভাবে কাজ করে।
এখানে দেওয়া তথ্য কি কোথাও জমা থাকে?
না। রসিদ পুরোটা আপনার ব্রাউজারেই তৈরি হয়; কোনো তথ্য আমাদের সার্ভারে পাঠানো হয় না।