বাড়ি ভাড়ার চুক্তি সাধারণত স্ট্যাম্প কাগজে সই হয়ে আলমারিতে চলে যায়। তারপর কবে মেয়াদ শেষ, অগ্রিম কত দেওয়া হয়েছিল, কোন শর্তে রাজি হয়েছিলেন — এসব মনে করতে সেই কাগজ খুঁজতে হয়। মেয়াদ পার হয়ে গেলেও অনেক সময় টের পাওয়া যায় না। চুক্তি মডিউল প্রতিটি চুক্তির মূল তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষণ করে এবং সময়মতো মনে করিয়ে দেয়।

এই মডিউলে যা যা পাবেন

  • ভাড়াটিয়ার জন্য ভাড়া চুক্তি তৈরি ও শুরু-শেষের মেয়াদ নির্ধারণ
  • অগ্রিমের পরিমাণ সরাসরি চুক্তিতে যুক্ত করা
  • শর্তাবলি যোগ ও প্রতিটি শর্তের বিস্তারিত বর্ণনা
  • চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট ফি বা চার্জ
  • মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সতর্কতা
  • সব চুক্তির অবস্থা একটি তালিকায়

কীভাবে কাজ করে

ভাড়াটিয়া ও ইউনিট বেছে নিয়ে চুক্তি তৈরি করুন, তারপর মেয়াদ, অগ্রিম আর শর্তগুলো লিখে দিন। প্রয়োজনে চুক্তির ফি বা আলাদা চার্জও যোগ করা যায়। মেয়াদ শেষের কাছাকাছি এলে সিস্টেম সতর্ক করে, ফলে নবায়ন বা নতুন আলোচনার জন্য সময় পাওয়া যায়। অবস্থা তালিকা থেকে বোঝা যায় কোন চুক্তি চলমান আর কোনটি শেষের পথে।

কাদের জন্য উপযোগী

যাঁরা বছরভিত্তিক চুক্তিতে ফ্ল্যাট বা দোকান ভাড়া দেন, বিশেষ করে মার্কেট ও বাণিজ্যিক ভবনের মালিক, যেখানে অগ্রিম ও শর্ত নিয়ে পরিষ্কার রেকর্ড রাখা জরুরি।

আপনার চুক্তিগুলো কীভাবে এক তালিকায় ট্র্যাক করা যায়, তা দেখতে বাড়িওয়ালা ERP-এর ফ্রি ডেমো ব্যবহার করে দেখুন।